সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

আঃ হ হ




এই ফুলটাকে দেখে কি মনে হচ্ছে?
বাবা নেই
কার বাবা? ফুলের?  ফুলের বাবা বাবা ফুল
ফুলেরা কি বাবা

রেন্ট নিয়ে বাড়িটা সুদ্দু ভাড়া নিলাম ঘড় ভাড়া তিনটে বাথরুম দুটো খোলা জানলা একটা ছাদ ছাদের পশ্চিমে বড় করে ছেয়ে আসা মন্দির লাল ঘন্টা আর একটা বট আছে পাশেই আগা পেছানো কিচ্ছু নেই গাছটার ডালে সুতো ছাড়া লাল সাদা হলুদ বেগুনী নানা রঙের লালটাই বেশি কেবল কালো সুতো চোখে পড়েনি মাঝে মাঝে রাতে বা মাঝরাত তখন ছাদে বেরিয়ে আড়ামোড়া ভাঙ খুব জোরে হেঁড়ে গলায় গান
পায়রাগুলোর উড়ে যাবার শব্দ পাই বেচারারা হয়তো তখন সবে
নামাজ পড়েছো কোনোদিন? নিজেকে জানতে চাই
ঘর থেকে গামছা বা আমারই জামা কোনো ছাদে পেতে হাঁটু মুড়ে সামনে দুটো হাত পাতা বাকিটা জানি না তো কি বলে কেমনে কিই বা তবে এভাবে থাকতে থাকতে এই নামাজের বসা ছাদের খোলা ঘের মাথার আকাশ নানা ডাকেরা এপাশ থেকে ওপাশ কখনো বা চাঁদের কাছাকাছি এলো কেউ
উম্
খুব আস্তে একবার ডাকি নিজের ভেতর তাকে খুব আস্তে মুখের ভেতর তার জড়ানো জিভ ভেতরে গালে গলায় জমা লালা হাত বাড়িয়ে পাজামার দড়ি খুলে নিজেকে ধরি লোহাদন্ড তখন তেমন কিছু সপাট নয় নরম হাতের মধ্যে নিজের বাড়া ওঠা নিজের হাতের মধ্যেই অন্য হাতের আঙুলে ওর মুখ ওর চেরার আস্তে আস্তে পাপড়ি নামাই পিছনে ঢেরি হাতের গুটিয়ে আসা আনা চামড়া মুখ নিজেকে নামিয়ে যতটা সম্ভব পেট ভাঁজ কোমর ঝুঁকিয়ে ওর জিভ চেরার ভিতরের জিভ
আঃ হ হ
ঠোঁট জিভ জিভের আমার নিজের চেরা তার ভেতর জিভের উফ্ দন্ডটা হাতের মধ্যে হাত পাকড়ে যেন আঁকড়ে হঠাৎ বলিষ্ঠ কাঁপুনি একটু
শব্দ এসময় কোথায় রোজ শাঁখ বাজে প্রতিদিন যেদিনই আমি খোলা ছাদ নামাজের ভঙ্গ লোহাখন্ডের বাড় হঠাৎ করেই শাঁখের শব্দটা কেমন যেন ওর নরম হয়ে যাওয়া দেখি হাতে মুঠোয় আস্তে আস্তে ঝিমিয়ে আসা ভাবি শাঁখটাকে
আমি এখন চিৎ পিঠের নিচে খোলা ছাদের খড়খড়ে শুধু কোমরের আসন বা জামা কিছুর ওপর রাখা সে হাতে ধরা নরম লোহা শাঁখটা সাদা টকটকে ভেজা অল্প জলের ছিটের একটা শাঁখ নাভির ওপর রাখা নিঃশ্বাসের ওঠা নামায় সেও
মুঠোয় টের পাই আঁধি জমছে আঁধার সে আবার দৃড় আবার শক্ত হতে হতে শিরার কঠিন হাতের নরমে
উফ্

অহনা সরকার

মন্তব্য

  1. কবিতার ভাঙ্গচুর বরাবর-ই ভীষণ জায়গা ক'রে নিচ্ছে। তারওপর শব্দের নিজেস্ব বানান চোখে পড়ার মতন। পরিশেষে ভানার বিশুদ্ধতাও কাফি সাংঘাতিক।।

    উত্তর দিনমুছুন

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

ফুলি

মস্তিক মাতাল ভেবেছে রাতকে। আসলে শবচ্ছেদ
যার বিজ্ঞানসন্মত নাম
বহুদূরের বাতিটাও কল্পনায়। ভূত আসলে
আমার পোষা আ ভুক্ত ভূত স্কুলফেজে তৈরী তখন মমতায় মার ছিলো মদের ভেতর উঁকি পাড়লে উল্কি! আহারে গলে পড়ছে
লাগলো!
তিরস্কার তখনই মনোটনি
বিষণ্ণ আসন্ন বিপদ

একটা বর্ষাতি ছেঁড়া খোঁড়া ছিঁড়ে খুঁড়ে মা দেওয়ালে টাঙিয়ে রেখেছিলো কড়িকাঠ। খুব বৃষ্টি নামলে দেওয়ালের ফাঁক কড়িকাঠ চাল লোহার শিক দেওয়াল খড়খড়ে সিমেন্ট হয়ে আমার হাত! তাও থাকে না। কব্জি পর্যন্ত জমেই একসময় মেঝেতে পায়ের নিচেই
টপ্ টপ্
না তেমন কোনো শব্দ নেই নিশ্চুপ। জল আসে জমে পড়া সেই জমা জলে আঙুল ঠেকিয়ে ডুবিয়ে ফুল বাড়ি রাস্তা কখনো বা মুখ ফুলি আঁকে আমার বোন। নিজের ছিলো কখনো এখন একমাত্র হয়ে গেছে

অহনা সরকার